অধ্যায় 2: কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিং

পাঠ ২.১
কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান ও ট্রান্সমিশন
- যেকোনো ডেটা যোগাযোগে পাঁচটি উপাদান কাজ করে;
- ট্রান্সমিশনের ধরন ও মোড ঠিক করে দেয় ডেটা কত দ্রুত ও কত নির্ভুলভাবে পৌঁছাবে।
ধাপ 1/5
এই পাঠে যা শিখবে
প্রায় 2 মিনিট
- • সোর্স, ট্রান্সমিটার, চ্যানেল, রিসিভার, ডেস্টিনেশন
- • ব্যান্ডউইথ, নয়েজ ও সিগন্যাল-টু-নয়েজ রেশিও
- • অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (স্টার্ট/স্টপ বিট)
- • সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (ক্লক সিঙ্ক)
এক নজরে
- যেকোনো ডেটা যোগাযোগে পাঁচটি উপাদান কাজ করে;
- ট্রান্সমিশনের ধরন ও মোড ঠিক করে দেয় ডেটা কত দ্রুত ও কত নির্ভুলভাবে পৌঁছাবে।
1পাঁচ উপাদান ও ব্যান্ডউইথ
- কমিউনিকেশন সিস্টেমে থাকে তথ্যের সোর্স → ট্রান্সমিটার (মডুলেটর) → চ্যানেল/মাধ্যম → রিসিভার (ডিমডুলেটর) → ডেস্টিনেশন।
- ব্যান্ডউইথ হলো চ্যানেলের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফ্রিকোয়েন্সির পার্থক্য (Hz) — ব্যান্ডউইথ যত বড়, একক সময়ে তত বেশি ডেটা যায়।
- সিগন্যালকে বিকৃত করে;
মূল পয়েন্ট
- SNR = সিগন্যাল শক্তি ÷ নয়েজ শক্তি; SNR বাড়লে ডেটা রেট (শ্যানন সূত্র অনুযায়ী) বাড়ে।
- অ্যাসিনক্রোনাস: প্রতি ক্যারেক্টারে স্টার্ট/স্টপ বিট — সহজ কিন্তু ওভারহেড বেশি।
- সিনক্রোনাস: ক্লক সিঙ্ক করে ব্লক আকারে পাঠায় — দ্রুত, টেলিফোন লাইনের দরকার।